আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্টাডি পারমিট ও পোস্টগ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিট (পিজিডব্লিউপি)–সংক্রান্ত নির্দেশনা আরও স্পষ্ট করেছে কানাডা সরকার। নতুন ব্যাখ্যায় ভর্তি, একাডেমিক অগ্রগতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন, স্টাডি পারমিটের মেয়াদ এবং পিজিডব্লিউপির যোগ্যতা নিয়ে কঠোর নজরদারির কথা জানানো হয়েছে।
কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিভাগ (আইআরসিসি) জানিয়েছে, এগুলো নতুন নীতি নয়; বরং বিদ্যমান নিয়মের বিস্তারিত ব্যাখ্যা।
নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রথমবার কমপ্লিশন লেটার, ট্রান্সক্রিপ্ট, ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা ইস্যু করলেই শিক্ষার্থীর কোর্স আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে বলে গণ্য হবে। সাধারণভাবে এর ৯০ দিনের মধ্যে স্টাডি পারমিটের মেয়াদ শেষ হবে।
এ ছাড়া যেসব শিক্ষার্থীর স্টাডি পারমিটে নির্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (ডিএলআই) নাম উল্লেখ আছে, তারা অন্য প্রতিষ্ঠানে যেতে চাইলে আগে নতুন স্টাডি পারমিট নিতে হবে। নতুন অনুমতি ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শুরু করলে তা অনুমতিবিহীন অধ্যয়ন হিসেবে বিবেচিত হবে।
একই প্রতিষ্ঠানের একই শিক্ষাস্তরে শুধু প্রোগ্রাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নতুন পারমিট লাগবে না, যদি পারমিটে অতিরিক্ত কোনো শর্ত না থাকে। তবে মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষায় যেতে হলে নতুন প্রতিষ্ঠানের নামে নতুন স্টাডি পারমিট নিতে হবে।
আইআরসিসি আরও জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতির ওপর এখন আরও কঠোর নজরদারি করা হবে। ১৫০ দিনের অনুমোদিত বিরতির নিয়ম বহাল থাকলেও একাধিক বিরতি বা কোর্স শেষ করতে অস্বাভাবিক বিলম্বের বিষয়টি অভিবাসন কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখবেন।
এদিকে, নির্দিষ্ট ওয়ার্ক পারমিটধারীদের স্টাডি পারমিট ছাড়াই পড়াশোনার অস্থায়ী সুবিধাও ২৭ জুন ২০২৬ থেকে শেষ হয়েছে। ফলে এখন থেকে ওই সুবিধা আর প্রযোজ্য নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মের এই ব্যাখ্যাগুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর বাস্তব প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কানাডায় উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের আবেদন বা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা ভালোভাবে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

