জুমার দিনে যেসব কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে, জেনে নিন

ইসলামে জুমার দিন অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ। কোরআন ও হাদিসে এই দিনের গুরুত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। হাদিস অনুযায়ী, এ দিনেই হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, পৃথিবীতে অবতরণ করানো হয় এবং এ দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। এছাড়া জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন আল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া কবুল করেন।
তবে এই বরকতময় দিনে কিছু কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইসলাম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
- আজানের পর ব্যবসা-বাণিজ্য বা দুনিয়াবি কাজে ব্যস্ত থাকা। জুমার আজান হলে সব কাজ ছেড়ে নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- খুতবা চলাকালে মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে যাওয়া, যা অন্য মুসল্লিদের কষ্ট দেয়।
- খুতবার সময় দুই হাঁটু জড়িয়ে (ইহতেবা) বসা, যা হাদিসে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
- খুতবার সময় কথা বলা, মোবাইল ব্যবহার, মেসেজ দেখা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যস্ত থাকা। এসব কাজ খুতবার মনোযোগ নষ্ট করে এবং জুমার সওয়াব কমিয়ে দিতে পারে।
- খুতবার সময় ঘুমিয়ে পড়া। তন্দ্রা এলে স্থান পরিবর্তন করে বসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
- শুধু জুমার দিনকে নির্দিষ্ট করে রোজা রাখা। জুমার সঙ্গে আগের বা পরের দিন মিলিয়ে রোজা রাখার নির্দেশ রয়েছে।
ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, জুমার দিনের প্রকৃত ফজিলত অর্জন করতে হলে সময়মতো মসজিদে উপস্থিত হওয়া, মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা, বেশি বেশি দোয়া, দরুদ ও জিকির করা এবং নিষিদ্ধ কাজগুলো থেকে বিরত থাকাই একজন মুসলিমের করণীয়।




