কর্পোরেট

কিস্তিতে এসি কেনার পর গ্রাহকের মৃত্যু, পরিবারকে ১ লাখ টাকার বেশি সহায়তা দিল ওয়ালটন প্লাজা

কিস্তিতে পণ্য কেনার পর গ্রাহকের মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ওয়ালটন প্লাজা। টাঙ্গাইলের এক গ্রাহকের মৃত্যুতে ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’র আওতায় বকেয়া কিস্তি মওকুফের পাশাপাশি তাঁর পরিবারকে ১ লাখ ৫৮২ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের আদালত রোড ওয়ালটন প্লাজা থেকে চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি শফিকুল ইসলাম ১ লাখ ১৮ হাজার ১৫২ টাকা মূল্যের একটি এসি কিস্তিতে কেনেন। পাঁচটি কিস্তি পরিশোধের পর তিনি স্ট্রোকে আকস্মিকভাবে মারা যান।

এরপর ওয়ালটন প্লাজার ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’র আওতায় তাঁর অনাদায়ী কিস্তির অর্থ সমন্বয় করে অবশিষ্ট ১ লাখ ৫৮২ টাকা তাঁর স্ত্রী আতিয়া আক্তার লীনার হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) টাঙ্গাইলের আদালত রোড ওয়ালটন প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফী ইথেন, সাবেক কাউন্সিলর সুজাউল করিম মানিক, টাঙ্গাইল সদর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ লাভলু মিয়া লাবু এবং ওয়ালটনের চিফ ডিভিশনাল অফিসার শাহাদত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ওয়ালটন প্লাজার তথ্য অনুযায়ী, তাদের ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’র আওতায় কিস্তি চলাকালে কোনো গ্রাহকের মৃত্যু হলে পণ্যের মূল্যের ভিত্তিতে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত এবং পরিবারের কোনো সদস্যের মৃত্যু হলে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে অনাদায়ী কিস্তির অর্থ সমন্বয়ের পর অবশিষ্ট অর্থ গ্রাহক বা তাঁর পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

সহায়তা গ্রহণের পর শফিকুল ইসলামের স্ত্রী আতিয়া আক্তার লীনা বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর পরিবারটি চরম সংকটে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে ওয়ালটন প্লাজার এই সহায়তা তাঁদের জন্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে।

ক্যাটাগরি