জাতীয়

জাইমা রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার

জাইমা রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সভাপতির কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের তালিকায় জাইমা রহমানের নাম ও পদবি উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, জাইমা রহমান ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর পেশাগত পরিচিতিতে তাকে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে অভিজ্ঞ ব্যারিস্টার এবং আইন ও নীতি বিষয়ক পেশাজীবী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান ২০২৬ সালের ২ জুন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ৮১তম অধিবেশন ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুরু হয়েছে এবং ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৭ শেষ হবে।

সভাপতির কার্যালয়ে বিভিন্ন দায়িত্বে একাধিক কর্মকর্তা কাজ করছেন। বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের মধ্যে জাইমা রহমান ছাড়াও আব্দুল আলিম, মোয়াজ্জেম হোসেন, মাফিজুল ইসলাম, জাকির আহমেদ ও মো. রফিকুল আলম মোল্লার নাম রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী, আব্দুল আলিম ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মোয়াজ্জেম হোসেন উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক সহকারী, মাফিজুল ইসলাম তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলগত পূর্বাভাসবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা, জাকির আহমেদ টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা বিশেষ পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলোবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের মেয়ে। তিনি আইন বিষয়ে লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, ড. খলিলুর রহমান ২ জুন ২০২৬ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। এ অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য ‘Restoring Trust, Managing Transformation: A United Nations That Delivers for All’।

৮ সেপ্টেম্বর অধিবেশনের উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. খলিলুর রহমান বলেন, তাঁর সভাপতিত্বের মূল লক্ষ্য জাতিসংঘের প্রতি আস্থা পুনর্গঠন, কার্যকর সংস্কার এবং সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা।

ক্যাটাগরি