বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনীতি

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আড়াই কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

ফাইল ছবি

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সের কারণে ডলারের সরবরাহ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার যোগান-চাহিদার ভারসাম্য ঠিক রাখতে এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ধারাবাহিকভাবে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই অংশ হিসেবে আজ একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে দুই কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ( ২৫ মিলিয়ন) কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।পর্যটন প্যাকেজ

বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

আরিফ হোসেন খান বলেন, বাজারে এখন চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বেশি। রপ্তানিকারক ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় বাজারমূল্য ধরে রাখতে গত জুলাই থেকে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত মোট ৫৮৪ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে শুধু মে মাসে কেনা হলো ১৭ কোটি ডলার। ডলার কেনা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির মাধ্যমে, মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে। এতে এক মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে দফায় দফায় মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে গত বছরের ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল। গত ১৫ জুলাই ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৩ জুলাই এক কোটি মার্কিন ডলার কেনা হয়েছিল। গত ৭ আগস্ট চার কোটি ৫০ লাখ ডলার, গত ১০ আগস্ট আট কোটি ৩০ লাখ ডলার, ১৪ আগস্ট ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, ২৮ আগস্ট ১৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার, ২ সেপ্টেম্বর চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার, ৪ সেপ্টেম্বর ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার, ৯ সেপ্টেম্বর ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১৫ সেপ্টেম্বর ৩৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২২ সেপ্টেম্বর ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ৬ অক্টোবর ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, ৯ অক্টোবর ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার এবং ২৪ অক্টোবর তিন কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতেও রেমিট্যান্স প্রবাহ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। গত মাসে দেশে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে চলতি বছরের একই সময়ে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা বেশি। এর আগে মার্চে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে।

 

ক্যাটাগরি