৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এ সাধারণ ছুটি ঘোষণা

প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এ সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। একই সাথে দিবসটিকে জাতীয় দিবসের পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বা পালন সংক্রান্ত হালনাগাদ পরিপত্রে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’কে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং এই দিনে সরকারি সাধারণ ছুটি বহাল থাকবে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর তৎকালীন সেনাপ্রধানের দায়িত্বে আসেন জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীতে একটি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটলে জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন।
এরপর একই বছরের ৭ নভেম্বর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাথে যুক্ত অপর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে সিপাহি-জনতার পাল্টা অভ্যুত্থানে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। এর মধ্য দিয়ে তিনি দেশের শাসনব্যবস্থার ও ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান নেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতি বছর এই দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে উদযাপন করে আসছে।



