জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হবে সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসের ধারক: প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন শেষে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, এই জাদুঘর শুধু ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ করবে না, বরং বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাদুঘরটি কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। তাঁর ভাষায়, “২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত মহানায়ক দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।”
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে গত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে তাদের নিজ নিজ এলাকায় একটি করে প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রাম, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল সেই স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই জাদুঘর দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাস সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত




