সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের মামলায় যুক্তিতর্ক ২৮ সেপ্টেম্বর

৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের অভিযোগ; মামলায় ১১ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অবসরপ্রাপ্ত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবন ও তার ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সিয়ামের আত্মপক্ষ সমর্থন শেষ হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন তিনি।
মামলাটিতে আগামী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীরের আদালত সিয়ামের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর মামলার সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে দুদকের উপসহকারী পরিচালক ও মামলার বাদী জাকির হোসেনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবী রেজাউল করিম তাকে জেরা করেন। তার জেরা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে মামলাটিতে মোট ১১ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
সিয়ামের বিরুদ্ধে ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ
মামলার নথি অনুযায়ী, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন।
মামলায় ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে সিয়ামের ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, তদন্তে সিয়ামের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযোগ গঠনের পর শুরু হয় বিচার
গত ১৭ জুন ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই দিন মামলাটির বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগ গঠনের পর ধারাবাহিকভাবে মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেনসহ মোট ১১ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সিয়ামের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য করা হয়।
বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে ওই ধাপও শেষ হয়েছে। এ সময় সিয়াম নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হবে। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রম ও রায়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।



