জাতীয়

গ্যাসের চাহিদা মেটাতে বাড়তি দামে এলএনজি আমদানির অনুমোদন

সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পণ্যের অস্থিরতার মধ্যে আরও চড়া দামে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে যাচ্ছে সরকার। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে তিন কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব এলএনজির ক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ (মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট) সর্বোচ্চ দর ২৮ দশমিক ৩ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পড়ছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে ৪৯তম, ৫০তম ও ৫১তম কার্গো এলএনজি কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪৯তম কার্গো ২৫ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর, ৫০তম কার্গো ১ থেকে ২ অক্টোবর এবং ৫১তম কার্গো ৫ থেকে ৬ অক্টোবর সরবরাহের কথা রয়েছে।

৪৯তম কার্গোর জন্য আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রতি এমএমবিটিইউ ২৭ দশমিক ৫৪ ডলার দর প্রস্তাব করেছে। ৫০তম কার্গোর জন্য বিপি সিঙ্গাপুরের দর ২৮ দশমিক ০৩ ডলার। আর ৫১তম কার্গোর জন্য ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড, সিঙ্গাপুরের দর ২৬ দশমিক ৬৬৮৮ ডলার।

এর আগে গত ২৪ আগস্ট সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ দশমিক ৬৩ ডলার দরে এক কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এরও এক সপ্তাহ আগে ২৩ দশমিক ৯৩ ডলার দরে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত হয়।

অর্থাৎ কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানেই আমদানি করা এলএনজির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরেও সরকার প্রতি এমএমবিটিইউ ১০ দশমিক ৫০ ডলারের নিচে দরে এলএনজি কিনেছিল। সেই তুলনায় বর্তমান দর প্রায় তিন গুণের কাছাকাছি।

এদিকে, সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর ও পেট্রোবাংলার মধ্যে স্বাক্ষরিত স্বল্পমেয়াদি এলএনজি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির আওতায় আরও এক কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সরবরাহের জন্য প্রস্তাবিত এ কার্গোটি প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩ দশমিক ৯৮ ডলার দরে কেনার কথা রয়েছে।

ফিন্যান্সিয়াল বার্তা/এইচ

ক্যাটাগরি