জামালপুর শিশু পরিবারে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

প্রতি বছরের মতো এবারো বর্ণাঢ্য আয়োজনে জামলপুর শিশু পরিবারে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি আফসানা তাসলিম।
শিশু পরিবার মাঠে অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক রোকোনুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডাঃ আজিজুল হক, জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজনীন আখতার, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী হায়দার ভূইয়া, সমাজসেবা অধিদপ্তর ঢাকার উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মেস্তফা মাহমুদ সারওয়ার, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌসি, ইউনিসেফ প্রতিনিধি ইমতিয়াজ আহমেদ, জামালপুর সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক নুরুল আলম প্রধান, শিশু পরিবারের ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং কমিটির সদস্য মোকছেদুর রহমান হারুন, বাংলারচিঠি ডটকমের সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবু ইলিয়াস মল্লিক ও শিশু পরিবারের উপতত্ত্বাবধায়ক শিরিনা আক্তার। অনুষ্ঠান পরিচালনায় সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জামালপুর পৌর সমাজসেবা কর্মকর্তা ফারুক মিয়া ও সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই কোরান থেকে তেলওয়াত শেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। একই সাথে জাতীয় পতাকা ও শিশু পরিবারের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। শিশুদের মার্চপাস্ট শেষে মশাল প্রজ্জলন করে দৌড়ে মাঠ প্রদর্শন করে শিশু স্বাধীন।
ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ৯ ইভেন্ট এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ৯ ইভেন্টে অর্ধশতাধীক শিশু অংশগ্রহণ করে।
শিশুদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা দেখে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি আফসানা তাসলিম বলেন জামালপুর শিশু পরিবারের শিশুরাই সেরা। এবারের বিজয় দিবসে পরিবারের শিশুরা কুচকাওয়াজের তিনটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে তিনটিতেই প্রথম স্থান অর্জন করেছে। তাদের পরিবেশনা দেখে হাজারো দর্শক বিমুগ্ধ হয়েছেন। আজও তাদের পারফরমেন্স দেখে আমি অভিভুত হয়েছি। তারা পড়ালেখাতেও যেন আশাব্যঞ্জক ফলাফল করে ভবিষ্যতে অনেক বড় মানুষ হতে পারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সে প্রত্যাশাই করেন।



