২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, নতুন সময়সূচি প্রকাশ

আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুট ছাড়িয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত চলাচল করবে আন্তঃনগর ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস। নতুন রুটে যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি ট্রেনটির সময়সূচিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী বিভিন্ন স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মহানগর এক্সপ্রেসের কক্সবাজারগামী প্রথম যাত্রার উদ্বোধন করবেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সূচি অনুযায়ী, ট্রেনটি রাত ৩টায় চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। এরপর রাত ৩টা ২০ মিনিটে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। ফিরতি পথে ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে রোববার। নতুন রুটে চলাচলের জন্য গত ১৬ অক্টোবর থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেস কক্সবাজার পর্যন্ত চলাচল করায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের বিভিন্ন স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
স্টেশনগুলো হলো—ঢাকার বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী।
এতদিন ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় এসব স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পেতেন না। মহানগর এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণের ফলে তাঁদের যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেসে মোট ১৬টি কোচ থাকবে। ট্রেনটির আসনসংখ্যা হবে ৭০৬ থেকে ৭৩৬টি।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক জানান, নতুন রুটে ট্রেন চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, মহানগর এক্সপ্রেস কক্সবাজার পর্যন্ত চালু হলে পর্যটকদের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্রটিতে ভ্রমণকারীর সংখ্যা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে রেলওয়ের আয় বৃদ্ধিরও সম্ভাবনা রয়েছে।



