কাজ ফেলে পালিয়েছে মাফিয়া আমু’ র ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার প্রায় ৪ কোটি টাকার গার্ডার ব্রিজ এখন কাঠের সেতু!!

ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ফয়রা বোনমাইল খালের ওপর প্রায় ৪ কোটি টাকার নির্মাণাধীন সেতু প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। কাজ শুরুর পরে ৩ বছর পার হলেও সরকারি প্রকল্পটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এতে ঐ এলাকার ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৫ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুকি নিয়ে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে নির্মিত সাঁকো ব্যাবহার করে যাতায়াত করতে হয়।
জানা গেছে ঝালকাঠির বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ধরে একচেটিয়া করে আসছে আমির হোসেন আমুর ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার মনিরুল ইসলাম (মনির হুজুর)। ৫ আগস্টের পর ঠিকাদার আত্মগোপনে চলে যায়। তার অধীনে থাকা সকল কাজ ফয়রা বনমাইল খালের সেতু প্রকল্প সহ তখন থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষরাও কোনো দায়িত্ব নিচ্ছেন না। নলছিটি উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানাগেছে ২০২২ সালের ৭ জুলাই ৩ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৩০৯ টাকা ব্যায়ে ফয়রা বনমাইল খালের ওপর গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের টেন্ডার হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় মেসার্স ইসলাম ব্রাদার্স নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো ২০২৩ সালের ২২ মে। সিডিউল অনুযায়ী নির্ধারণ সময় অতিক্রমের পরেও ধীর গতিতে কাজ এগোতে থাকে। যাহা মোট ১০-১৫ শতাংশের মত শেষ হয়েছে। এলাকাবাসী এ ঝুকি পূর্ণ সাঁকো পারাপারকে অপরাজনৈতিক প্রভাবের কারনে উন্ময়নের প্রতিশ্রুতি এখন হতাশায় পরিনত হয়েছে। শিক্ষার্থী , সাধারণ মানুষ, রোগী পরিবহন ও বাজারে পন্য আনা নেয়ার ক্ষেত্রে সীমাহীন দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। ঠিকাদার পলাতক থাকায় দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার আলমগীর হোসেন জানান আমি ওখানের কাজ দেখাশোনা করিনা। সোহেল নামে একজন দেখাশোনা করতো সেও পলাতক।
এবিষয়ে ঝালকাঠি এলজিইডি প্রকৌশলী মোঃ হাবিবুল্লাহ জানান আমরা অফিসিয়ালি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইসলাম ব্রাদার্স কে একাধিক বার চিঠি দিয়েও উল্লেখযোগ্য কোনো সুরাহা পাইনি।




