বান্দরবানের ফারুক পাড়ায় সাংস্কৃতিক সংগঠনকে ৩ লাখ টাকা দেওয়ার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

বান্দরবানের ফারুক পাড়ায় বম কমিউনিটির সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের উন্নয়ন ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে বাদ্যযন্ত্র কেনার জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ফারুক পাড়া সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স হলে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি চর্চার প্রসার, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় করেন।
প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিকাশ ও শিল্পীদের অধিকার রক্ষায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সংস্কৃতিকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া এবং জাতীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। ফারুক পাড়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, সংগঠনটির সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য হারমোনিয়াম, ডুগি-তবলা, কি-বোর্ড ও অক্টোপ্যাডসহ প্রয়োজনীয় বাদ্যযন্ত্র কেনার জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি। তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সমাজকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করে এবং তরুণ প্রজন্মকে সঠিক ধারায় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মপরিচয়ের প্রতিচ্ছবি। তাই সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর বিকাশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
ফারুক পাড়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের তরুণ সদস্যরা জানান, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এই মতবিনিময় সভা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি, প্রতিমন্ত্রীর পিএস জয়নাল আবেদীন, সুয়ালক ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত পিএস হেলাল এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।
স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনটির সদস্যরা আশা করছেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে ফারুক পাড়ায় সাংস্কৃতিক চর্চার পরিসর আরও বাড়বে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের আগ্রহ তৈরি হবে।



