ব্যাংক বীমা

ইসলামী ব্যাংকের জুবলী রোড শাখায় ১৪১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, আসামি সাইফুজ্জামানসহ ২৯

সংগৃহীত ছবি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ২৭টি ডিলের বিপরীতে ১৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাত ও দুবাই, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অভিযোগে তিনটি মামলা অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, তার স্ত্রীসহ ২৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মামলাগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। শিগগিরই চট্টগ্রামের দুদক কার্যালয়ে মামলাগুলো দায়ের করা হবে বলে জানা গেছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে শুরুতে দুদক, সিআইডি ও এনবিআরের সমন্বয়ে সাত সদস্যের টাস্কফোর্স কাজ করে। পরে ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি দল অনুসন্ধান ও তদন্ত শুরু করে। এ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ৩০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নতুন মামলাগুলোতে অভিযোগ করা হয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে নামসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের জুবলী রোড শাখা থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন। এর আগে একই ধরনের অভিযোগে ইমিনেন্ট ট্রেডার্স, ভিশন ট্রেডিং, রিলায়েবল ট্রেডিং, প্রোগ্রেসিভ ট্রেডিং, ক্রিসেন্ট ট্রেডার্স ও মডেল ট্রেডিংয়ের নামে মোট ১২৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ছয়টি মামলা করে দুদক।

এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক শাখা থেকে অর্থ আত্মসাৎ ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগেও সাইফুজ্জামান চৌধুরী, তার স্ত্রী এবং ইউসিবির সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছে দুদক।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক বশির আহমেদ, আরেক ভাই ও সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী ওরফে রনি, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বজল আহমেদ বাবুল এবং সাবেক পরিচালক এম এ সবুরসহ আরও কয়েকজন।

ফিন্যান্সিয়াল বার্তা/এইচ

ক্যাটাগরি